৫ জনকে বিশ্বাস করবেন না

একজন বিদ্বান বুদ্ধিমান ব্যক্তির সৎ পরিবারে অবিবাহিত মহিলাকে বিবাহ করা উচিত। যদি ওই মহিলা কুৎসিত হয় তবুও। আর মহিলা যদি সুন্দর রূপবতী হয় তাহলে অসৎ পরিবারেও বিয়ে করা উচিত নয়। এবং এই পাঁচটি বিষয়কে কখনো বিশ্বাস করতে নেই। 

১. নদী

২. যার কাছে অস্ত্র রয়েছে। 

৩. শিং যুক্ত পশু। 

৪. মহিলা

৫. রাজ কর্মচারী

চাণক্য বা কৌটিল্য মানুষ জীবনে উন্নতি গল্পে মহান বিচারধারা রচনা করেছিলেন। যা আজও মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়ে চলেছে। 

বুদ্ধিমান ব্যক্তি সর্বদা সৎ বংশে বিবাহ করেন, বিবাহ জীবনের সবথেকে বড় একটি মোর বিবাহ দ্বারা দুটি মনের ও শরীরের মিলন হয়। দুটো মানুষের শরীরের চাহিদা পরিপূর্ণ হয় তেমনি একজন অপরজনকে পেয়ে খুশি হয়। 

তবে এই কামতৃষ্ণা এরপর যেটা আসে সেটা হল দায়িত্ব, সুখী একটা পরিবার সকলেই চায় কিন্তু মনের মিলন সঠিক না হলে তা অধরাই থেকে যায়।

বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে যে সংসার সুখী হয় রমনীর গুনে, একটি সংসারকে স্বর্গ সুখ দিতে বা সংসারটিকে সর্ব করে তুলতে একটি মহিলা যথেষ্ট, একজন মহিলাই পারে পরিবারের সকলের মুখে হাসি ফোটাতে। 

একজন মহিলার কারণ এই সংসারে হাজার দুঃখের মধ্যেও নেমে আসে আনন্দ ও খুশি। যেমন মহিলার কারনে সংসারে খুশি নেমে আসে, তেমনি মহিলার কারনে সংসারে অনল নেমে আসে। একটি সুখের সংসারে আগুন জ্বলে যেতে পারে, আর এর জন্য একটি মহিলা যথেষ্ট। 

ইতিহাস তার সাক্ষী আমাদের সামাজিক রীতিনীতি অনুসারে বিয়ের পর একটি স্ত্রীকে তার স্বামীর ঘরে চলে যেতে হয়, নতুন সংসার নতুন মানুষজনকে মেনে নেওয়া একটি মহিলার কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে যায়। আর এখান থেকেই শুরু হয় তার শিক্ষাব্যবস্থা আর আচার-আচরণের খেলা। 

আর ও মহিলা যদি কোন শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত পরিবারের থেকে হয়, তবে তা মানিয়ে নিয়ে সুন্দর সংসার তৈরি করতে পারে, সকলকে মানিয়ে নেওয়ার কৌশল তার মধ্যে থাকে। কিন্তু ওই মহিলা যদি কোন অশিক্ষিত পরিবার থেকে আসে, তার মধ্যে এই সমস্ত কোন কিছু তো থাকেই না এবং ছোট ছোট কারণেই শুরু হয় ঝগড়া অশান্তি।অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে প্রত্যেকটা মানুষের মনকে বিষিয়ে দেয়। আর যার ফলে সেই সুন্দর সংসার ভেঙে ভেঙে টুকরো হয়ে যায়। 

এই বিবাদ যে শুধু পরিবারের সমস্ত সদস্যের মধ্যে হয়ে থাকে তা নয় যদি নিজ বাহিন পরিবারের মধ্যে থেকে আসে তাহলে কিন্তু সে স্বামীর সাথে একই আচরণ, ঝগড়া, অশান্তি করে থাকবে। তাই পুরুষের উচিত বিবাহের আগে সেই পরিবারকে এবং পরিবারের সদস্যদের এবং সেই মহিলাটির সম্পর্কে সমস্ত খবরা খবর জেনে নেওয়া উচিৎ।

যৌবন শুধু কয়েক দিনের ব্যাপার এই মহো যখন কেটে যায় তখন সংসারে অশান্তি নেমে আসে প্রতিটা দিন কাটানো অসম্ভব হয়ে ওঠে। 

নরক যন্ত্রণায় ভুগতে হয় ওই পরিবারকেপরিবারকে তাই সাবধান।

এবার আসি সেই পাঁচটি বিষয় যেগুলো কখনো বিশ্বাস করতে নেই।

১. তার মধ্যে প্রথম হল নদী। নদী হল আমাদের খুবই প্রয়োজনীয় একটা জিনিস যত সভ্যতা জনমত গড়ে উঠেছে তা সব এই নদীকে কেন্দ্র করে। কিন্তু নদীকে অতিরিক্ত মাত্রায় বিশ্বাস করতে নেই। নদীতে জল নেই এই ভেবে নদীর মাঝখানে বসতি স্থাপন করা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ যে কোন সময় নদীতে জোয়ার এসে সেই বসতি ভেঙে দিয়ে যেতে পারে। অথবা শান্ত নদীর মধ্যে যদি সাঁতার কাটা হয় তাহলে নদীর মধ্যে যে ভয়ঙ্কর জলজ প্রাণী গুলির রয়েছে, যেমন কুমীর হাঙর এদের আক্রমণে জীবন যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না।

২. দ্বিতীয় বিষয়টি হলো যার কাছে অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। যার কাছে অস্ত্র রয়েছে তাকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই। যার কাছে অস্ত্র রয়েছে সে আর যাই হোক শান্তি স্থাপন করবে না। অস্ত্রধারী ব্যক্তির কাছে থাকলে সর্বদা তার অনুগত হয়ে থাকতে হবে। যদি তার কথা মতো না চলা হয় যদি তার কথা মতো কোনো কাজ না করা হয় তাহলে সে সেই অস্ত্র দিয়ে বিপদ ঘটাতে বেশি বার ভাববে না। তাই অস্ত্রধারী ব্যক্তিদের কখনো বিশ্বাস করতে নেই।

৩. তৃতীয়ত হলো শিং যুক্ত পশু, শিং যুক্ত পশুর সাথে বলতে পারো এক প্রকার অস্ত্র বর্তমান। যদি এই পশুটির মনে হয় যে তার দিকে যে মানুষটি আসছে সেই মানুষটি তার শত্রু তাহলে সে তার শিং দ্বারা সেই মানুষটিকে আঘাত করতে পারে এবং এর ফলে সেই মানুষটির প্রান ও যেতে পারে। তাই সাবধান শিংযুক্ত পশুর কাছ থেকে।

৪. মহিলা। মহিলা কে বিশ্বাস করা উচিত নয়, অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাঁড়ায় বোঝা যায়। দেখুন এর অনেক কারণ রয়েছে যেমন প্রথম কারণ হলো মহিলারা তাদের নিজের কোনো কথা গোপন রাখতে পারেনা। আপনি যদি কোন মহিলাকে বিশ্বাস করে কিছু বলেন তাহলে সে ওই কথা অন্য কাউকে বলতে বেশিক্ষণ ভাবেই না। সে তোমার সেই গোপন কথা অন্য কাউকে সঙ্গে সঙ্গে বলে দেবে এটাই কি যথেষ্ট নয় তোমার আর তার মধ্যে বিবাদ বাধানোর। এছাড়াও মহিলাদের মুখ খুব কোমল এবং ছলচাতুরি তে তাদের জুড়ি মেলা ভার। মহিলাদের মুখ দেখে কেউ বুঝবে না যে সে মনে কি আর মুখে কি। তাই মহিলাদের থেকে একটু সাবধানে থাকবেন। 

৫. রাজ কর্মচারী। নিজেদের সংসার, অর্থ, সম্পদ, বিষয়, আসয় সম্পর্কে রাজকর্মচারীদের জানাতে নেই, তাহলে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

এই পাঁচটি বিষয়ে অবশ্যই আপনি বিশ্বাস করবেন না এবং যত পারবেন এই বিষয়গুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন সচেতন থাকবেন। 


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *