ব্যবসায় সফলতা

যদি আপনি একজন ব্যবসাদার হতে চান যদি আপনার বিজনেস কে বড় ভাবে গ্রো করতে চান তাহলে আজ আপনাকে কিছু কথা বলব যা আপনার সফলতার পথে সাহায্য করবে। 

একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার যতটা সহজ মনে হয় ততটা কিন্তু সহজ নয়, যদি আপনি কিছু জিনিস মেনে চলেন যদি আপনি বুঝে কাজ করেন তাহলে আপনি কিন্তু একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন। একজন বিজনেসম্যান হওয়া কি মুখের কথা নয়, অনেক চ্যালেঞ্জ, অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে যে নিজের বিজনেস কে এগিয়ে নিয়ে যায় সেই কিন্তু একজন সফল বিজনেসম্যান হন। 

কতগুলি দক্ষতা আপনাকে নতুন উন্নতির পথে নিয়ে যাবে, কতগুলি দক্ষতা আপনাকে করে তুলবে একজন সেরা বিজনেসম্যান। পৃথিবীতে সেরা উদ্যোক্তা দিকে যদি আপনি তাকিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন তারাও কিন্তু নতুন নতুন কিছু দক্ষতা শেখার চেষ্টা, করে তারা সবসময় বই পড়ে, তারা সর্বদাই নতুন অভিজ্ঞতা নেওয়ার চেষ্টা করে।

এই দুনিয়াতে টিকে থাকতে গেলে নিজের ব্যবসা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে এবং এই প্রতিযোগিতায় জিতবে চাইলে আপনাকে অবশ্যই দিন পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেকেও পরিবর্তন করতে হবে। 

এজন্য আপনাকে কিছু পয়েন্ট কিছু রুলস মেনে চলতে হবে :- যেমন দক্ষতা। দক্ষতা আপনাকে রাখতেই হবে আপনি যেই বিষয় বিজনেস টা চালু করেছিলেন বা যেই বিষয় বিজনেস টা করছেন সেই বিষয়টিকে আপনি ভালো ভাবে করায়ত্ত করুন। 

উদাহরণ:- যেমন ধরুন আপনি টেক্সটাইলের বিজনেস করছে, বা সফটওয়্যার এর বিজনেস করছেন বা কম্পিউটারের বিজনেস করছেন। যাই করুন না কেন সেই বিষয়ে আপনার পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা পর্যাপ্ত দক্ষতা আপনার করায়ত্ত করা উচিত। নয়তো আপনাকে ঠকাতে এমপ্লয়ীদের খুব বেশি কষ্ট হবে না। 

একজনের কথা বলি হয়তো আপনি ওনার নাম শুনেছেন উনি একজন বিখ্যাত বিজনেসম্যান ইলন মাস্ক। আপনি যদি নাও জানেন তাও আপনাকে একটু মনে করিয়ে দিই আমরা যে PayPal ব্যবহার করি উনি তার ফাউন্ডার ছিলেন। Spacex নামে যে সংস্থাটি রয়েছে ওটাও তিনিই চালু করেছিলেন। এই Spacex নামের যে সংস্থাটি রয়েছে তিনি যদি চাইতেন বিজ্ঞানী লাগিয়ে কাজ করাতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি নিজে আগে সেই বিষয়টি শিখেছেন জেনেছে সেই বিষয়ে জ্ঞান আয়ত্ত করেছেন তারপর তিনি বিজ্ঞানীদের ওখানে কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু তিনি যদি সেই বিষয়ে জ্ঞান আয়ত্ব না করতেন এবং কোন কিছুই না জানতেন তাহলে তিনি কোনদিনও সেই বিজনেস টিতে উন্নতি করতে পারতেন না। 

দ্বিতীয় যে বিষয়টি আমি আপনাকে বলব সেটি হল কোন বিষয়ে যদি আপনি মাস্টার হন কোন বিষয়ে যদি আপনি বিশেষ জ্ঞান রেখে থাকেন তাবুও আপনাকে প্রত্যেকটি বিষয় কোম্পানিতে যতগুলি সিস্টেম রয়েছে সেই সব বিষয়ে আপনাকে কিছু না কিছু নলেজ অবশ্যই রাখতে হবে। 

একটি অফিসে কখনো একটি বিষয় নিয়ে কাজ হয়না তার বিভিন্ন বিষয় ভাগ করা হয়েছে যেমন একাউন্টেস রয়েছে, আর মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট রয়েছে, তার বিজনেস রয়েছে । প্রত্যেকটি পার্ট যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে যেই পার্ট টি আপনার জানা থাকবেনা সেই বিষয়ের এম্প্লয়েরা আপনার সাথে চিট করতে পারে এবং আপনার বিজনেস কে খারাপ করে দিতে পারে। 

এরপর যেটা আপনাকে করতে হবে সেটা হল নিজের হাতের মতো করে আপনি টিম তৈরি করুন। প্রথমে বিজনেস শুরু করার আগে আপনাকে একটি বিশাল টিম নিয়ে কাজ করতে হবে এমন টা কিন্তু নয়, একটি ছোট টিম তৈরি করে কিন্তু সেই টিমটিকে ম্যানেজ করার ক্ষমতা রাখুন। 

এইভাবেই আস্তে আস্তে ছোট ছোট টিম তৈরি করুন এবং প্রত্যেকটা টিমকে একটি করে দায়িত্ব দিন। এবং সেই প্রত্যেকটা টিমে এমন একজন করে রাখুন যে পুরো টিমকে ম্যানেজ করবে এবং আপনাকে এসে প্রত্যেকটা খবর পর্যাপ্ত পরিমাণে দেবে এইভাবে নিজের বিজনেস শুরু করুণ। 

এটাও ঠিক যে প্রত্যেকটা এমপ্লয় কিন্তু একরকম হবে না । যেমন হাতের পাঁচটা আঙুল সমান হয় না ঠিক তেমনি আপনাকে প্রত্যেকটা এমপ্লয় সমান হবে না। তাই কাজ শিখিয়ে তাদেরকে নিজের কোম্পানী রুল্স রেগুলেশন এর মধ্যে তৈরি করে নিতে হবে। 

আলাদা আলাদা বিষয়ে দক্ষতা নিয়ে গড়ে তোলার টিম আপনাকে সেরা সফলতা এনে দেবে। আর কোন বিষয়ে আপনার টিম তৈরি করলে আপনি বিজনেস এর সেরা হয়ে উঠবেন সেটি আপনি বিজনেসের ফোকাশ করলেই বুঝতে পারবেন। 

একটি টিমের সেরা পারফর্মেন্স বের করে আনতে গেলে আপনাকে কি রকমের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে সে বিষয়ে জ্ঞান থাকা আপনার অবশ্যই জরুরী। যদি আপনি প্রথম দিনেই নিজের বিজনেস কে হাইপ্রোফাইল ভাবতে শুরু করেন আর আপনি নিজে ঘরের মধ্যে বন্দি হয়ে থাকেন তাহলে কখনো সেই বিজনেসে উন্নতি করতে পারবেন না আপনাকে নিজে সমস্ত দায়িত্ব নিতে হবে। আর বিজনেস টাকে হাতে ধরে তৈরি করতে হবে এবং সব জায়গায় আপনাকে নিজেকে রাখতে হবে তাহলে আপনি একজন সেরা বিজনেসম্যান রূপে পরিচিতি পাবেন । 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *