পাগল হয়ে দেখুন মনের ভেতর আগুন জ্বলে উঠবে

আমি এখন আপনাকে কিছু কথা বলব যেগুলো শুনে আপনার মনের ভেতরটা আগুন জ্বলে উঠবে।

বেশিদিন না 2006 এর কথা হঠাৎ পিতার মৃত্যুর খবর আসে। তারপরও সে কিন্তু স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যায় না তার পরের দিন তার নিজের খুব কষ্ট ভরা মন টাকে চেপে রেখে ও সে সেঞ্চুরি করার মতো ক্ষমতা দেখায় সে আর কেউ না আমাদের ভারতের বর্তমান ক্রিকেটের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। তার মধ্যে সেই পাগলা টা ছিল বলে কিন্তু সে এত বড় একটা ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে পেরেছে এবং তার মধ্যে পাগলামো টা ছিল বলে কিন্তু সে আজ আমাদের ভারতের বর্তমান ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে দার করাতে পেরেছে। 

টিটির চাকরি পাওয়ার পর ও যে ট্রেন ধরে ক্রিকেট স্টেডিয়াম পৌঁছে যায় এবং ভারতকে এনে দেয় বিশ্বকাপের সেই তকমাটা। সে আর কেউ নয় আমাদের সবার প্রিয় ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার মধ্যেও সেই একই পাগলা মোটা ছিল বলে সে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছে এবং নিজের স্বপ্নটাকে পূরণ করতে পেরেছে এবং আমাদের দেশের নাম কে উজ্জ্বল করেছে। 

দেখো এটা তো সত্যি যে ভিড়ের মধ্যে কিন্তু সবাই নিজের গা ভাসিয়ে দেয় কিন্তু যে ভিরের প্রতিকূলে চলার সাহস রাখে সেই হয় একমাত্র সফল ব্যক্তি। পাগল আমরা তাকেই বলব যে একলা চলে মিনার তৈরি করতে পারে। 

ভাড়ি কণ্ঠস্বর হওয়ার কারণে রেডিও স্টেশন থেকে বাদ দিয়ে দেয় তাকে , কিন্তু তারপরও কিন্তু সে থেমে যায়নি, এই কাজটাকে সে নিজের প্রফেসান হিসেবে নিজের স্বপ্ন হিসেবে ধরে রেখেছিল এবং দৌড়ে গেছিল সেই লক্ষ্যের দিকে। শতেরো টা মুভি ফ্লোরিডা হওয়ার পরেও তিনি জিনজার ফিল্ম তৈরি করে, ভারতবর্ষের একজন মেগাস্টারের তকমা উপার্জন করতে পারেন। 

সে আর কেউ নয় আমাদের সবার জনপ্রিয় অভিনেতা ভারতবর্ষের নাম্বার ওয়ান অ্যাক্টরস অমিতাভ বচ্চন। 

সত্যি বলতে কিন্তু লাখে একজনের মধ্যে এই পরিবর্তন দেখা যায় এবং সেই এক ঝটকায় পুরো দেশটাকে নাড়িয়ে রেখে দেয় এবং অনেক পরিবর্তন আনে আমাদের দেশের ওপরে নিজের জীবন দিয়ে তার লক্ষ্য পূরণ করে এবং আমাদের ভারতবর্ষ কে একটি স্থানে পৌঁছে নিয়ে যায়। 

এমন মানুষ আছে যারা দিনে 15 ঘণ্টা পাগলের মত কাজ করে যায় নিজের লক্ষ্য পূরণ করার জন্য, নিজের স্বপ্ন গুলো সত্যি করার জন্য , এগিয়ে যাওয়ার জন্য , নিজের পরিবারকে ভালো রাখার জন্য, সে একটা পাগল ছাড়া আর কে হতে পারে। 

এবং চেষ্টাই পারে মানুষকে বদলাতে মানুষকে সাফল্য এনে দিতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা নিজেদের চেষ্টা দিয়ে নিজেদের সাফল্য দিয়ে গোটা দুনিয়াটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছে। 

আরো একজন ব্যক্তি আছে যার নাম হচ্ছে দশরথ মাঝি। যে তার স্ত্রীকে সময়মতো হসপিটালে নিয়ে যেতে পারেনি বলে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে একটি পাহাড় কে দায়ী করেছে। 

এবং ভিভো 55 কিলোমিটার এর পাহাড় কে 22 বছর ধরে রাস্তা তৈরি করেছিল। 

সে একটা পাগল ছাড়া আর কে হতে পারে তবে আপনার কাছে আমার কাছে আমাদের সবার কাছে তিনি একজন পাগল নহে কিন্তু সত্যি বলতে তিনি একজন মহান ব্যক্তি যে নিজের লক্ষ্য পূরণ করেছে এবং তার জন্য অনেক কষ্ট সহ্য করেছে অনেক যন্ত্রণা সহ্য করেছে অনেক বার আঘাত পেয়েছে কিন্তু তিনি তার লক্ষ্যে পৌঁছেছে। 

আরে এই জেদের তখনই জন্ম হয় যখন হৃদয় ভেঙ্গে দু’টুকরো হয়ে যায়। আর কিছু মানুষ এমনও আছে যারা নিজেদের সেখানেই শেষ করে দেয়। কিছু মানুষ এমন আছে যারা এই যন্ত্রণাকে এই দুঃখ কে জেদ হিসেবে নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে নিয়ে আসে এবং তাদের কাছে কিন্তু এই জেদ টাই তাদের শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। 

এবং সেই ব্যক্তি অসাধারণ, সেই ব্যক্তি হয় জেদি, সেই ব্যক্তি হয় কঠিন। 

যার গতি কে আটকানো দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।তার রাগ, যন্ত্রণা এবং জেদ কে কাজে পরিণত করতে পারে এবং দিনরাত পরিশ্রম করতে পারে তাকে সফল হওয়া কেউ আটকাতে পারবেনা। 

একজন মানুষ এমন পাগল হয়ে উঠতে পারে যে তার পাগলামিতে বিল্ডিং তৈরি করতে পারে। 

এমন একজন মানুষের উদাহরণ রয়েছে যাকে ইংরেজরা তাদের হোটেলে ঢুকতে দেয়নি। এবং তিনি এই অপমান নিয়ে মেনে নিয়ে ঠিক করেন যে সবথেকে বিলাসবহুল হোটেল তৈরি করবেন তিনি এবং তিনি তাঁর স্বপ্নকে পূরণ করেছে। এবং সত্যিই তিনি সবথেকে বিলাসবহুল হোটেল তৈরি করেন হোটেল তাজ। হ্যাঁ আমি জামসেদজী টাটার কথা বলছি।

যখন সবাই চাকরি খুঁজতে ব্যস্ত থাকে তখন ওনার চাকরি দেওয়ার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে আর ওনারাই তো বড় বড় পাগলদের জায়গা নেয়, যেমন নিয়েছে বিল গেটস, স্টিভ জবস, এলোন মাকস । 

সবসময় নিজের সফলতার জন্য উৎকর্ষ হয়ে থাকে এবং নিজেদের চাহিদাকে কখনো ছোট করে না নিজেদের স্বপ্নের দিকে সবসময় উনারা এগিয়ে যান নিজের স্বপ্নকে সফল করার জন্য এনারা দিনরাত্তির পরিশ্রম করে এবং তার কারণেই আজকে সফল ব্যক্তি হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন এবং নিজেদের জীবনকে সুস্থ ভাবে ভরিয়ে তুলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *