নিজের ভেতরে আগুন জ্বালাও

একটি লক্ষ্য স্থির করো আর সেই লক্ষ্যকে নিজের জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে ফেলো। চিন্তা করো, স্বপ্ন দেখো, তোমার মস্তিষ্কে তোমার প্রত্যেকটা রক্তে তোমার শিরায় শিরায় তোমার মনে তুমি সেই লক্ষ্যকে ছড়িয়ে দাও। আর বাকি সবকিছু ভুলে যাও এটা ই সাফল্যের একমাত্র পথ।

যেটা সারাজীবন স্বামী বিবেকানন্দ মনের রেখেছিলেন এবং বলে গেছেন অন্যের সাফল্যের বদলে অন্যের ভুল থেকে শেখার চেষ্টা করো। বেশিরভাগ মানুষ মোটামুটি একই রকম কারণে ব্যর্থ হয়, অন্যদিকে সফল হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে।

রাতারাতি সাফল্য বলে কিছু নেই, কোন কাজ মনোযোগ দিয়ে করে দেখবে অনেক সাফল্য তোমার কাছে আসবে অনেক সময় নিয়ে। সাফল্য আসলে কাজ করে যাওয়া সম্পর্কে সম্পর্কিত, সফল মানুষেরা সবসময় কাজ করে যায় চেষ্টা করে যায়। তারা ভুল করে তারা হাঁটতে হাঁটতে পড়ে যায় কিন্তু তারা এই কারণে কখনো থেমে যায় না। 

সাফল্যের জন্য তোমাকে ৩টি মূল্য দিতে হবে:- ভালোবাসা, কঠোর পরিশ্রম, আর স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার পরেও পরিশ্রম করে যাওয়া। যার মাঝে সীমাহীন উৎসাহ বুদ্ধি ও একটানা কাজ করে যাওয়ার জোশ থাকে। তার সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। তুমি যদি তোমার সময়ের মূল্য না দাও তাহলে অন্যরাও দেবে না। 

নিজের সময় ও প্রতিবাদে বাজে বিষয়ে নষ্ট করা বন্ধ করো তাহলে সফলতা অটোমেটিকেলি তোমার কাছে চলে আসবে। সকল মানুষের স্ব স্ব সকল মানুষের পার্থক্য হল একটাই শক্তি বা জ্ঞান নয় সত্যি কারের সফল হওয়া আর সত্যিকারের ইচ্ছে।

একজন সফল যোদ্ধা হলো একজন সাধারন মানুষ যে অন্যের থেকে বেশী মনোযোগী নিজের লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য। মানুষের জীবনের কঠিন সময় আসা খুবই দরকার কারণ কঠিন সময়ের জন্য মানুষ তার জীবনের সাফল্যকে উপভোগ করতে পারে। সাফল্য তখনই আসে যখন একটি মানুষ তার নিজের ক্ষমতার পুরো টা কোন কাজে বিলিয়ে দেয়। 

সাফল্য খুব সহজ ব্যাপার সঠিক কাজটি সঠিক সময়ে করে ফেলতে হবে। সফলদের আগুনে জলে না এটা কি তোমার নিজের হাতে জ্বালাতে হবে। সাফল্য মানে নয় বার পড়ে দশবার উঠে দাঁড়ানো। অন্যেরা ছেড়ে যাওয়ার পরেও, দীর্ঘ সময় হাল ধরে রাখতে পারা সাফল্য অর্জনের জন্য খুব বড় একটা ব্যাপার। 

সাধারণ আর অসাধারণ দের মধ্যে পার্থক্য হল সাধারণ লোকেদের না বলার ক্ষমতা অসাধারণ। ব্যবসার জগতে তারাই বেশি সফল যারা তাদের সবচেয়ে ভালো লাগা কাজটি করেছে। সফল মানুষেরা সাধারণত নিজের কাজের বিষয়কে পাগলের মত ভালবাসে তবেই তো তারা জীবনে সফল হয়। 

সাফল্য ঘটেনা সাফল্য ঘটাতে হয়, সফল হওয়ার চেষ্টা করার আগে দক্ষ হওয়ার চেষ্টা কর সাফল্য এমনি আসবে। অসত্যের পথে সফল হওয়ার থেকে সত্যের পথে ব্যর্থ হওয়া অনেক ভালো। সন্তানের সাফল্য চাইলে তাকে মাছ খেতে দেওয়ার বদলে মাছ ধরতে দেওয়া শেখাও। 

অতীতের সাফল্য হয়তো তোমাকে ভবিষ্যতে ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু তুমি যদি প্রত্যেকটা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে পারো তাহলে দিনের শেষে তুমি হবে একজন সফল মানুষ। জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস একমাত্র প্রয়োজন জেদ এবং আত্মবিশ্বাস।

একজন মানুষ এখন কতটা উপরে রয়েছে তা দিয়ে আমি তার সাফল্য মাপি না, একজন নিচে পড়ে যাওয়ার পর সে কতটা ঘুরে দাঁড়ালো সেটাই হলো তার আসল সাফল্য। সফল হতে চাইলে সাফল্যকে লক্ষ্য বানিও না তুমি যেটা করতে ভালোবাসো সেটাই করে যাও সাফল্য নিজে নিজেই তোমার কাছে এসে ধরা দেবে। সাফল্য অর্জন করা আর সফল হওয়া এক নয়।

সুবিধা পেলেও অনেকেই সফল হতে পারে, অনেককে জোর করে সফল বানানো হয়, একমাত্র যে নিজের পরিশ্রম ও নিজের চেষ্টা দিয়ে সফল হয় সেই প্রকৃত সাফল্য অর্জন করে। ব্যর্থতার ছাই দিয়ে সাফল্যের প্রাসাদ তৈরি করো।

হতাশা আর ব্যর্থতার হলো সাফল্যের প্রাসাদের মূল ভিত্তি। সাফল্যের মূল্য হল হাতের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর কঠোর পরিশ্রম। জয় আর পরাজয় ভুলে নিজের পুরো সামর্থ্য বিলিয়ে দাও। দেখো সফলতা কোথায় থাকে। সাফল্য তোমার সামনে চলে আসবে।

সাধারণ মানুষ যতক্ষণ ভালো লাগে ততক্ষণ কাজ করে কিন্তু অসাধারণ মানুষেরা যতক্ষণ না সাফল্য আসে ততক্ষণ কাজ করে যায়। জীবনে যদি সফল হতে চাও তাহলে দুটি জিনিস অবশ্যই মনে রাখো সেটি হল যে তার আত্মবিশ্বাস।

যদি তুমি জীবনে সফল হতে চাও তাহলেই প্রত্যেকটি নীতিকে মেনে চলো তাহলে তুমি অবশ্যই সফল হবে। 


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *